🔄 রিলোড হচ্ছে...
Today | আজ | اليوم
🌤️ ঢাকা: ২৮°C
🔴 ব্রেকিং
🔴 ৪১ কোটি টাকার সম্পদের মালিক সারা আলী খান, সিনেমাপ্রতি নেন ৩ কোটি🔴 ডিসেম্বর ঘিরে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী🔴 এইচএসসি ২০২৬: শতভাগ পাস ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে, একজনও পাস করেনি ২৯৩টিতে🔴 মেয়ের জন্মদিনে আবেগঘন শুভেচ্ছা জানালেন মৌসুমী ও ওমর সানী🔴 এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
← ফিরে যান লাইফস্টাইল

অবহেলায় দাঁতের ক্ষতি, প্রভাব পড়তে পারে হৃদযন্ত্র ও রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণেও:

✍️ Sajib Bhuiwan • 🕐 28 Oct 2026
অবহেলায় দাঁতের ক্ষতি, প্রভাব পড়তে পারে হৃদযন্ত্র ও রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণেও:

দাঁতের যত্নকে অনেকেই কেবল পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যের বিষয় মনে করেন। অথচ মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা সামগ্রিক সুস্থতারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করা, মাড়ির সমস্যাকে অবহেলা করা কিংবা দীর্ঘদিন একই টুথ ব্রাশ ব্যবহার করার অভ্যাস থেকে দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে শরীরের অন্যান্য স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মুখে অসংখ্য ধরনের অণুজীব স্বাভাবিকভাবেই বসবাস করে। সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার না করলে দাঁতের গায়ে ব্যাকটেরিয়াযুক্ত আঠাঁলো স্তর বা প্লাক জমে। সময়মতো তা পরিষ্কার না করলে মাড়িতে প্রদাহ, রক্তপাত এবং পরবর্তী সময়ে গুরুতর মাড়ির রোগ হতে পারে। মুখের পরিচর্যায় অবহেলা তাই শুধু দাঁতের ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

মুখের স্বাস্থ্য ও ডায়াবেটিসের যোগসূত্র :

ডায়াবেটিস ও মাড়ির রোগের মধ্যে দ্বিমুখী সম্পর্ক রয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন বেশি থাকলে মাড়ির সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং ক্ষত সারতেও বেশি সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, গুরুতর মাড়ির প্রদাহ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তবে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলেই ডায়াবেটিস প্রতিরোধ নিশ্চিত হয়—এমন দাবি করা সঠিক নয়। বরং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং মুখের পরিচর্যা একসঙ্গে বজায় রাখা জরুরি।

মাড়ির প্রদাহ ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি :

মাড়ির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহকে অবহেলা করা উচিত নয়। গবেষণায় মাড়ির গুরুতর রোগের সঙ্গে হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন হৃদযন্ত্রের রক্তনালির সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এ ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য যোগসূত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে মাড়ির রোগ সরাসরি হৃদরোগ সৃষ্টি করে—এমন কার্যকারণ সম্পর্ক এখনো নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে দাঁত ও মাড়ির যত্নের পাশাপাশি ধূমপান পরিহার, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেও গুরুত্ব দিতে হবে।

সুস্থ দাঁত ও মাড়ির জন্য যে অভ্যাসগুলো জরুরি :

১. দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করুন :

প্রতিদিন সকালে ও রাতে নরম ব্রিসলযুক্ত টুথব্রাশ এবং ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে প্রায় দুই মিনিট দাঁত পরিষ্কার করুন। দাঁতের বাইরের ও ভেতরের পৃষ্ঠের পাশাপাশি চিবানোর অংশও পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত জোরে ব্রাশ না করে মাড়ির প্রতি কোমল আচরণ করুন।

২. দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার রাখুন :

শুধু ব্রাশ দিয়ে দাঁতের সব জায়গা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা ও প্লাক দূর করতে প্রতিদিন ডেন্টাল ফ্লস অথবা উপযুক্ত ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. মাড়ির সমস্যায় অবহেলা নয় :

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, ফুলে যাওয়া, দাঁতে শিরশির অনুভূতি, দুর্গন্ধ কিংবা দাঁতে ব্যথা হলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করানো

💬 মন্তব্য

মন্তব্য করতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী আপনিই হোন!